বিএমআই ক্যালকুলেটর
ওজন, উচ্চতা ও বয়স দিন। ফল দুটি আলাদা সীমায় দেখানো হবে — WHO-র আন্তর্জাতিক শ্রেণিবিভাগ এবং দক্ষিণ এশীয়দের জন্য নিম্নতর ঝুঁকি-সীমা — প্রতিটির নিজস্ব উৎসসহ। কোনটিকে "সঠিক" বলে চাপিয়ে দেওয়া হয় না, কারণ সংস্থাগুলোর মধ্যেই মতভেদ আছে।
দুটি আলাদা সীমা কেন দেখানো হয়
বিএমআই-এর সংখ্যাটা একটাই, কিন্তু সেটিকে কোন সীমায় ফেলা হবে তা নিয়ে সংস্থাভেদে মত আলাদা — আর এই পার্থক্যটা দক্ষিণ এশীয়দের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
- WHO আন্তর্জাতিক শ্রেণিবিভাগ (২৫ / ৩০) — WHO আজও এই সীমাই ব্যবহার করে, এবং বাংলাদেশের জাতীয় NCD জরিপ (STEPS ২০১৮) এই সীমাতেই হিসাব প্রকাশ করেছে।
- দক্ষিণ এশীয়দের জন্য নিম্নতর ঝুঁকি-সীমা (২৩ / ২৭.৫) — WHO-র ২০০৪ সালের বিশেষজ্ঞ পরামর্শসভা এই সংখ্যাগুলোকে "সম্ভাব্য জনস্বাস্থ্য পদক্ষেপ-বিন্দু" হিসেবে চিহ্নিত করেছিল, কিন্তু আন্তর্জাতিক সীমা বদলায়নি। যুক্তরাজ্যের NICE পরে এগুলোকে দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূতদের জন্য সীমা হিসেবে গ্রহণ করেছে।
⚠️ অনেক ওয়েবসাইট লেখে "WHO-র এশীয় বিএমআই সীমা ২৩"। কথাটি ভুল। WHO ২০০৪ সালের সভার প্রতিবেদনেই স্পষ্ট বলেছে — আন্তর্জাতিক সীমা বহাল থাকবে, এবং এশীয় জনগোষ্ঠীভেদে ঝুঁকির সীমা ২২ থেকে ২৫ পর্যন্ত ভিন্ন হওয়ায় প্রতিটি জনগোষ্ঠীর জন্য আলাদা সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। সেজন্যই এখানে দুটি সীমাই আলাদাভাবে, আলাদা উৎসসহ দেখানো হয় — একটিকে "সঠিক" বলে চাপিয়ে দেওয়া হয় না।
বিএমআই যা বলতে পারে না
এটি পেশি আর চর্বির পার্থক্য বোঝে না — তাই খেলোয়াড় বা পরিশ্রমী মানুষের বিএমআই বেশি আসতে পারে যদিও চর্বি কম। এটি চর্বি শরীরের কোথায় জমছে তা-ও বলে না, অথচ পেটের চর্বিই বেশি ঝুঁকির। সেজন্য কোমর-উচ্চতার হিসাবটিও দেখে নিন।
এটি একটি প্রকাশিত সূত্রে করা আনুমানিক হিসাব — চিকিৎসা পরামর্শ নয়। আপনার রোগ, ওষুধ, বা শরীরে কতটা পেশি আর কতটা চর্বি — এসব এই হিসাব জানে না, এবং এটি কোনো রোগ নির্ণয় করতে পারে না। ফলাফল দেখে দুশ্চিন্তা হলে নিজে থেকে ডায়েট বা ওষুধ শুরু না করে ডাক্তার বা পুষ্টিবিদের সঙ্গে কথা বলুন। সাইটটি বানিয়েছেন এসকে মিশু — একজন সফটওয়্যার ডেভেলপার, ডাক্তার নন। প্রতিটি সূত্র ও তার মূল উৎস দেখুন: পদ্ধতি ও সূত্র। জরুরি প্রয়োজনে ৯৯৯। মন খারাপ বা মানসিক চাপে কথা বলতে: কান পেতে রই ০৯৬১২-১১৯৯১১ (প্রতিদিন বিকাল ৩টা – রাত ৩টা)।
সর্বশেষ যাচাই: